পদাতিক বাংলা

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি প্রকল্প, নাগরিক পরিষেবা, চাকরি ও শিক্ষার বাংলা তথ্য

West Bengal Assembly Election 2026 Voter Guide: ভোট শেষ, এখন যা জানা জরুরি

West Bengal Assembly Election 2026 Voter Guide: ভোট শেষ, এখন যা জানা জরুরি

২৮ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ আর খোলা নেই। নির্বাচন কমিশনের সরকারি সূচি অনুযায়ী ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম দফার ভোট হয়েছিল ২৩ এপ্রিল ২০২৬ এবং বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফার ভোট হয়েছিল ২৯ এপ্রিল ২০২৬। নিয়মিত গণনার দিন ছিল ৪ মে ২০২৬ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্ধারিত তারিখ ছিল ৬ মে ২০২৬। পরে ১৪৪-ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে ২১ মে পুনর্ভোট হয়; ECI-র ফলাফল পেজে ২২/২২ EVM রাউন্ড সম্পূর্ণ দেখানো হয়েছে এবং সেই পেজ ২৪ মে ২০২৬-এ শেষ আপডেট হয়েছিল। (eci.gov.in)

তাই এই WBLA Election 2026 voter guide-কে এখন আর “কখন বুথে যাবেন” ধরনের লাইভ ভোটদানের নির্দেশিকা হিসেবে পড়া ঠিক হবে না। বরং এখানে ২০২৬ সালের নির্বাচনে বাস্তবে কোন ভোটার-পরিচয়পত্র, বুথের নিয়ম, EVM-VVPAT পদ্ধতি, মোবাইল নিয়ম, হোম ভোটিং ও বিশেষ ভোটের ব্যবস্থা প্রযোজ্য ছিল—এবং ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য এখন ভোটার হিসেবে কী কী যাচাই করে রাখা যায়—তা পরিষ্কারভাবে দেওয়া হলো।

২৮ আগস্ট ২০২৬ অনুযায়ী দ্রুত স্ট্যাটাস

বিষয় বর্তমান অবস্থা
প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল ২০২৬ — সম্পন্ন
দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল ২০২৬ — সম্পন্ন
নিয়মিত গণনা ৪ মে ২০২৬ — সম্পন্ন
ফলতা, AC 144 পুনর্ভোট ২১ মে ২০২৬ — সম্পন্ন
এখন ২০২৬ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই; ভোটগ্রহণ শেষ
এখন ভোটারের করণীয় ভোটার তালিকায় নাম, EPIC, বুথ ও প্রয়োজনীয় সংশোধন যাচাই করে রাখা
ECI-র পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর সরকারি সূচি ও নথি
পুরোনো ভোটের তারিখ দেখে বিভ্রান্ত হবেন না ২০২৬ সালের Assembly Election-এর poll-day, home-voting এবং voter-ID নির্দেশগুলি এখন ঐ নির্বাচনের ঐতিহাসিক নিয়ম। ভবিষ্যতের কোনো নির্বাচন বা উপনির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনের নতুন ECI notification অবশ্যই দেখুন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ ভোটকেন্দ্রে EVM-এ ভোটদানের প্রতীকী দৃশ্য

২০২৬ সালের ভোটকেন্দ্র নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধিত তথ্য

২০২৬ সালের নির্বাচনে একটি polling station-এ সর্বোচ্চ ভোটারের সীমা ছিল ১,২০০ জন elector। ১,৫০০ জন নয়। প্রয়োজন হলে ১,২০০-এর বেশি ভোটার থাকা এলাকায় auxiliary polling station তৈরির ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। ECI-র ২৯ এপ্রিলের সরকারি হিসাবে দুই দফা মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮৫,৩৭৭টি polling station ব্যবহৃত হয়েছিল—প্রথম দফায় ৪৪,৩৭৬টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৪১,০০১টি। (pib.gov.in)

একই সরকারি আপডেটে ECI জানিয়েছিল যে ভোটকেন্দ্রগুলিতে wheelchair এবং PwD ভোটারদের সহায়তার জন্য volunteers রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ polling station-এ live webcasting নিশ্চিত করা হয়েছিল বলে কমিশন জানিয়েছে। ফলে webcasting-কে শুধু কয়েকটি “স্পর্শকাতর বুথ”-এর ব্যবস্থা হিসেবে দেখানো ঠিক নয়। (pib.gov.in)

তবে নিরাপত্তা নিয়ে একটি blanket দাবি এড়িয়ে চলা জরুরি। প্রতিটি বুথে অবশ্যই CAPF বা নির্দিষ্ট সংখ্যক পুলিশকর্মী থাকবেন—এভাবে সব polling station-এর জন্য একই ব্যবস্থা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তা deployment নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পরিকল্পনা, vulnerability assessment এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

ভোট দেওয়ার জন্য শুধু Voter Card থাকলেই কি যথেষ্ট ছিল?

না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল সংশ্লিষ্ট polling station-এর electoral roll বা ভোটার তালিকায় নাম থাকা। EPIC বা অন্য অনুমোদিত photo ID পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়; ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে শুধু Voter ID Card দেখিয়ে ভোট দেওয়ার অধিকার তৈরি হয় না।

২০২৬ সালের নির্বাচনে EPIC প্রধান পরিচয়পত্র ছিল। তবে EPIC সঙ্গে না থাকলে তালিকাভুক্ত ভোটার ECI অনুমোদিত ১২ ধরনের বিকল্প photo identity document-এর যেকোনো একটি দেখাতে পারতেন। Voter Information Slip বা VIS-এ ভোটারের তথ্য, polling station, তারিখ ও সময় থাকলেও ECI স্পষ্ট জানিয়েছিল—VIS একা ভোটদানের পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। (pib.gov.in)

EPIC না থাকলে অনুমোদিত ১২টি বিকল্প পরিচয়পত্র

  • Aadhaar Card
  • MGNREGA Job Card
  • ছবি-সহ Bank বা Post Office Passbook
  • Ministry of Labour-এর Health Insurance Smart Card বা প্রযোজ্য অনুমোদিত health card
  • Driving Licence
  • PAN Card
  • Registrar General of India-এর NPR Smart Card
  • Indian Passport
  • ছবি-সহ Pension Document
  • Central Government, State Government, PSU বা Public Limited Company-এর কর্মীদের ছবি-সহ Service Identity Card
  • MP, MLA বা MLC-দের সরকারি পরিচয়পত্র
  • Unique Disability ID বা UDID Card

পরিচয়পত্রের কাজ ছিল বুথে উপস্থিত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা। তাই “আমার EPIC আছে, কিন্তু নাম তালিকায় নেই—তবুও Presiding Officer অনুমতি দিতে পারেন” এমন ধারণার উপর নির্ভর করা উচিত নয়।

ভবিষ্যতের নির্বাচনের আগে এখন কী কী যাচাই করবেন?

২০২৬ Assembly Election শেষ হলেও electoral roll সংক্রান্ত পরিষেবা চালু রয়েছে। Chief Electoral Officer, West Bengal-এর Electors পেজ থেকে ভোটার তালিকায় নাম খোঁজা, EPIC দিয়ে polling station/Assembly Constituency/Parliamentary Constituency জানা, electoral roll দেখা, নতুন নিবন্ধনের লিঙ্ক, application status tracking, E-EPIC download এবং ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য সংশোধনের পরিষেবায় যাওয়া যায়। সরকারি পেজে ১৯৫০ helpline-ও উল্লেখ রয়েছে। (cems.wb.gov.in)

  1. প্রথমে electoral roll-এ নিজের নাম ঠিকভাবে আছে কি না দেখুন।
  2. নামের spelling, বয়স, ঠিকানা ও অন্যান্য particulars ভুল হলে সংশোধনের আবেদন করুন।
  3. EPIC number ব্যবহার করে আপনার polling station, AC এবং PC-এর তথ্য যাচাই করে রাখুন।
  4. নতুন আবেদন বা correction জমা দিলে application status track করুন।
  5. পরবর্তী নির্বাচন ঘোষণার পর পুরোনো ২০২৬ নির্দেশ নয়, সেই নির্বাচনের নতুন ECI notification অনুসরণ করুন।

২০২৬ সালে বুথে মোবাইল ফোনের নিয়ম কী ছিল?

ECI-র নির্দেশ অনুযায়ী polling station-এর ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটারের mobile phone কেবল switched-off mode-এ রাখার অনুমতি ছিল। polling station-এর entrance-এর কাছে mobile deposit facility রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং ভোটারকে mobile phone ভিতরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল না। স্থানীয় প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে Returning Officer নির্দিষ্ট polling station-কে এই deposit ব্যবস্থার বাইরে রাখতে পারতেন। (pib.gov.in)

একই নির্দেশে poll day-তে polling station-এর ১০০ মিটারের মধ্যে electioneering বা canvassing নিষিদ্ধ রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ এটিকে “১০০ মিটারের মধ্যে যেকোনো ধরনের জমায়েতই অপরাধ” বলে সাধারণীকরণ না করে নির্বাচনী প্রচার বা canvassing-এর নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা হিসেবে বোঝা উচিত। (pib.gov.in)

মোবাইল ডিপোজিট ও ১০০ মিটার নিয়মের সরকারি নির্দেশ

EVM ও VVPAT-এ ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া কী?

EVM-এর Ballot Unit ভোটারের voting compartment-এ থাকে এবং Control Unit polling officer বা Presiding Officer-এর নিয়ন্ত্রণে থাকে। পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় polling formalities শেষ হলে polling officer Control Unit থেকে ballot activate করেন। এরপর ভোটার Ballot Unit-এ নিজের পছন্দের প্রার্থী বা NOTA-র পাশে থাকা নীল বোতাম চাপেন। (eci.gov.in)

ভোট রেকর্ড হওয়ার পর VVPAT একটি slip print করে। সেখানে নির্বাচিত প্রার্থীর serial number, নাম ও symbol দেখা যায়। ECI-র FAQ অনুযায়ী slip-টি প্রায় সাত সেকেন্ড দৃশ্যমান থাকে এবং পরে নিজে থেকেই কেটে sealed VVPAT drop box-এর ভিতরে পড়ে যায়। ভোটার সেই slip হাতে পান না। (eci.gov.in)

ECI-র EVM ও VVPAT সংক্রান্ত সরকারি তথ্য

পোলিং অফিসারদের দায়িত্ব কী ছিল?

সাধারণ polling party-তে একজন Presiding Officer এবং তিনজন Polling Officer থাকার কাঠামো ECI-র handbook-এ দেওয়া আছে। First Polling Officer marked electoral roll দেখে ভোটারের পরিচয় যাচাই করেন। Second Polling Officer Form 17A-তে প্রয়োজনীয় entry করেন, ভোটারের signature বা thumb impression নেন এবং বাঁ হাতের তর্জনীতে indelible ink লাগানোর দায়িত্ব পালন করেন। Third Polling Officer Control Unit-এর Ballot button ব্যবহার করে Ballot Unit সক্রিয় করেন। (eci.gov.in)

তবে ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে ৫০০-এর কম ভোটার থাকা নির্দিষ্ট booth-এ District Magistrate/DEO-কে প্রয়োজন অনুযায়ী তিন সদস্যের polling party—Presiding Officer, First Polling Officer ও Second Polling Officer—ব্যবহারের discretion দেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রতিটি বুথেই অবিকল চারজন polling personnel ছিলেন, এমন দাবি করা ঠিক নয়। (ceowestbengal.wb.gov.in)

Mock Poll কেন করা হয়েছিল?

২০২৬ Assembly Election-এর ECI নির্দেশ অনুযায়ী actual poll শুরু হওয়ার ৯০ মিনিট আগে প্রতিটি polling station-এ mock poll করা হত। অন্তত ৫০টি test vote দেওয়া হত এবং contesting candidates-সহ NOTA-তে ভোট রেকর্ড করে Control Unit-এর electronic result ও VVPAT slip count মিলিয়ে polling agents-দের দেখানো হত। (eci.gov.in)

Mock poll শেষ হলে Control Unit-এর CLEAR button ব্যবহার করে test data মুছে শূন্য vote দেখানো হত। Mock VVPAT slips বের করে “MOCK POLL SLIP” হিসেবে চিহ্নিত করে আলাদা sealed black envelope-এ রাখা হত। এরপর prescribed sealing process শেষ করে actual polling শুরু হত। তাই mock VVPAT slips শুধু “পরিষ্কার করে দেওয়া” হত—এমন অস্পষ্ট বর্ণনা যথেষ্ট নয়। (eci.gov.in)

২০২৬ সালে ভোটের সময় এবং লাইন বন্ধের নিয়ম

পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার সরকারি notification-এ polling hours সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল; Phase-I ও Phase-II-র silence-period schedule-ও সন্ধ্যা ৬টার poll close ধরে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে closing time পৌঁছানোর আগে যেসব ভোটার ইতিমধ্যে বৈধভাবে লাইনে ছিলেন, prescribed closing procedure অনুযায়ী তাঁদের ভোট সম্পন্ন করার সুযোগ ছিল। (wbceo.wb.gov.in)

এই সময়সূচিকে পরবর্তী নির্বাচন বা উপনির্বাচনের জন্য স্থায়ী নিয়ম ধরে নেওয়া যাবে না। প্রতিটি নতুন poll-এর সময় সংশ্লিষ্ট ECI/CEO notification-এ ঘোষিত polling hours দেখতে হবে।

Home Voting কারা ব্যবহার করতে পেরেছিলেন?

ECI ২০২৬ নির্বাচনের জন্য home voting-কে একটি optional postal-ballot facility হিসেবে রেখেছিল। কমিশনের সরকারি release অনুযায়ী নির্ধারিত প্রবীণ ভোটার শ্রেণি এবং electoral roll-এ PwD হিসেবে flagged eligible ভোটার এই সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট Returning Officer-এর কাছে notification-এর পাঁচ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারতেন। polling team পরে নির্ধারিত সময়ে ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ভোট সংগ্রহ করত। (pib.gov.in)

যাঁরা home voting option নেননি, তাঁদের জন্য polling station-এ volunteers, wheelchairs এবং প্রয়োজনীয় assistance দেওয়ার ব্যবস্থাও ছিল। তবে ২০২৬ সালের home-voting আবেদন-পর্ব এখন সম্পূর্ণ বন্ধ। ভবিষ্যতের কোনো নির্বাচনে একই সুবিধা আছে কি না, কারা eligible এবং কখন Form 12D বা অন্য form দিতে হবে—তা নতুন notification দেখে যাচাই করতে হবে। (pib.gov.in)

২০২৬ হোম ভোটিং সংক্রান্ত ECI নির্দেশ

অন্য কেউ আপনার নামে ভোট দিয়ে দিলে কী ব্যবস্থা ছিল?

যদি electoral roll-এ আপনার নাম থাকে কিন্তু polling station-এ গিয়ে দেখা যায় অন্য কেউ ইতিমধ্যে আপনার নামে ভোট দিয়ে দিয়েছে, তখন বিষয়টি Presiding Officer-কে জানানো যায়। পরিচয় সন্তোষজনকভাবে যাচাই হলে Rule 49P-এর tendered vote procedure প্রযোজ্য হতে পারে। এই ক্ষেত্রে সাধারণ EVM vote নয়, prescribed tendered ballot paper-এর মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়।

Tendered Vote-এর মূল কথা এটি এমন পরিস্থিতির জন্য যেখানে প্রকৃত ভোটার বুথে এসে জানতে পারেন যে অন্য কেউ তাঁর পরিচয়ে ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছে। পরিচয় যাচাই না করে tendered ballot দেওয়া হয় না।

Form 17C কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভোট শেষ হওয়ার পর Presiding Officer Form 17C-এর Part I-এ polling station-এর Account of Votes Recorded প্রস্তুত করেন। EVM-এ মোট কত vote recorded হয়েছে, তা-সহ প্রয়োজনীয় statutory details এতে থাকে। উপস্থিত polling agents-দের Form 17C Part I-এর সত্যায়িত copy দেওয়ার বিধান রয়েছে। গণনার সময় সংশ্লিষ্ট Control Unit-এর vote total-এর সঙ্গে Form 17C-র vote total মিলিয়ে দেখা যায়। (eci.gov.in)

তবে Form 17A এবং Form 17C-র সংখ্যা সব পরিস্থিতিতে একই হতেই হবে—এটি সঠিক নয়। Form 17A-তে polling station-এ এসে register-এ sign/thumb impression দেওয়া electors-এর তথ্য থাকে; কেউ booth-এ এসেও vote না দিলে বা rules অনুযায়ী vote record না হলে EVM total আলাদা হতে পারে। ECI-র FAQ এই পার্থক্যটি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছে। (eci.gov.in)

ECINET ও webcasting কী কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল?

২০২৬ সালের নির্বাচনে ECINET election-management ও voter-service ecosystem-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ECI-র ২৯ এপ্রিলের update অনুযায়ী Presiding Officers poll close-এর সময় polling percentage ECINET-এ update করেছিলেন। একই release-এ দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ polling station-এ live webcasting থাকার কথা বলা হয়েছিল। এই ব্যবস্থাগুলি monitoring ও reporting-এর tools; এগুলিকে “কারচুপি একেবারে অসম্ভব” বা “নির্বাচন fraud-proof” হওয়ার প্রমাণ হিসেবে বর্ণনা করা উচিত নয়। (pib.gov.in)

২০২৬ নির্বাচনের পর ভোটারের জন্য সবচেয়ে দরকারি সতর্কতা

  • পুরোনো poll date, home-voting deadline বা booth instruction দেখে এখন কোনো আবেদন খোলা আছে ধরে নেবেন না।
  • ভোট দেওয়ার আগে সবসময় electoral roll-এ নাম আছে কি না যাচাই করুন; শুধু EPIC থাকা যথেষ্ট নয়।
  • WhatsApp, Facebook, YouTube বা অজানা website-এর “নতুন ECI rule” দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
  • বুথ, electoral roll, EPIC correction বা application status-এর জন্য ECI বা CEO West Bengal-এর official service ব্যবহার করুন।
  • “প্রতিটি বুথে একই security deployment”, “নির্দিষ্ট turnout target” বা “ভবিষ্যতে biometric/face recognition বাধ্যতামূলক হচ্ছে”—এমন দাবির ক্ষেত্রে official notification ছাড়া বিশ্বাস করবেন না।
  • পরবর্তী নির্বাচনের সময় পুরোনো ২০২৬ voter-ID list বা polling hours ব্যবহার করার আগে নতুন ECI notification-এর সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. ২৮ আগস্ট ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোট দেওয়া কি এখনও সম্ভব?

না। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিলের দুই দফার ভোট, ৪ মে-র নিয়মিত গণনা এবং পরে ২১ মে ফলতা AC 144-এর পুনর্ভোট—সবই শেষ হয়েছে। ফলতার ECI result page-এ ২২/২২ EVM round সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। (eci.gov.in)

২. আমার Voter ID Card আছে, কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম নেই। আমি কি ভোট দিতে পারব?

শুধু EPIC থাকা ভোট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট polling station-এর electoral roll-এ নাম থাকা মৌলিক শর্ত। তাই ভবিষ্যতের ভোটের অনেক আগে থেকেই নিজের নাম ও particulars পরীক্ষা করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

৩. EPIC হারিয়ে গেলে কি অন্য পরিচয়পত্র ব্যবহার করা যায়?

২০২৬ সালের নির্বাচনে electoral roll-এ নাম থাকা ভোটার EPIC না থাকলে ECI অনুমোদিত ১২ ধরনের বিকল্প photo ID-এর একটি ব্যবহার করতে পারতেন। তবে ভবিষ্যতের নির্বাচনে একই তালিকা অপরিবর্তিত থাকবে ধরে না নিয়ে নতুন ECI instruction দেখুন।

৪. Voter Information Slip কি পরিচয়পত্র হিসেবে যথেষ্ট?

না। ECI ১৫ এপ্রিল ২০২৬-এর release-এ স্পষ্ট জানিয়েছিল যে Voter Information Slip standalone identification document নয়। এটি polling station, poll date/time এবং voter details খুঁজতে সাহায্য করে। (pib.gov.in)

৫. বুথের ভিতরে মোবাইল ফোন নেওয়া যেত কি?

২০২৬-এ প্রযোজ্য ECI নির্দেশে mobile phone polling station-এর ভিতরে নেওয়া নিষিদ্ধ ছিল। ১০০ মিটারের মধ্যে ফোন switched-off রাখতে এবং entrance-এর কাছে deposit করার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছিল; কিছু polling station-এ স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে Returning Officer exception দিতে পারতেন। (pib.gov.in)

৬. অন্য কেউ আমার নামে ভোট দিলে কী করা যায়?

সঙ্গে সঙ্গে Presiding Officer-কে জানাতে হয়। পরিচয় যাচাইয়ের পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে Rule 49P অনুযায়ী tendered ballot paper-এর মাধ্যমে vote-এর ব্যবস্থা হতে পারে।

৭. Home Voting-এর জন্য এখন আবেদন করা যাবে?

২০২৬ Assembly Election-এর home-voting window শেষ। সেই নির্বাচনে eligible elector-কে notification-এর পাঁচ দিনের মধ্যে Returning Officer-এর কাছে আবেদন করতে হত। ভবিষ্যতের poll-এর জন্য নতুন notification ছাড়া পুরোনো deadline ব্যবহার করা যাবে না। (pib.gov.in)

৮. এখন ভোটার হিসেবে আমার সবচেয়ে জরুরি কাজ কী?

CEO West Bengal-এর সরকারি Electors service ব্যবহার করে electoral roll-এ নাম, EPIC details, polling station, AC/PC এবং প্রয়োজনীয় correction বা application status যাচাই করে রাখুন। কোনো নতুন নির্বাচন ঘোষণা হলে তারপর সেই poll-এর আলাদা schedule, voter-ID direction এবং polling rules দেখুন। (cems.wb.gov.in)

পাঠকের মন্তব্য

মতামত লিখুন। প্রকাশের আগে প্রতিটি মন্তব্য পর্যালোচনা করা হয়।

০

মন্তব্য লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...