📢 Telegram-এ যুক্ত হন

পদাতিক বাংলা

বাংলা ভাষার প্রিয় কন্টেন্টের ঠিকানা

বাজেট ২০২৬-২৭ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: ৫৩.৫ লক্ষ কোটির মহাপরিকল্পনা ও ২০টি যুগান্তকারী ঘোষণা; প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ গাইড

বাজেট ২০২৬-২৭ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: ৫৩.৫ লক্ষ কোটির মহাপরিকল্পনা ও ২০টি যুগান্তকারী ঘোষণা; প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ গাইড

১. মূলধনী ব্যয় এবং অবকাঠামো উন্নয়ন (Capital Expenditure)

ভারত সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মূলধনী ব্যয় (Capex) বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এই বিপুল অর্থ মূলত 'বিকশিত ভারত' (Viksit Bharat) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যয় করা হবে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ তৈরি করা।

রেল ও সড়ক: উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন ন্যাশনাল হাইওয়ে এবং রেলওয়ে ট্র্যাক তৈরি।

নগর উন্নয়ন: শহরতলি এলাকার আধুনিকীকরণ এবং স্মার্ট সিটি প্রকল্পের সম্প্রসারণ।

অর্থনৈতিক প্রভাব: সরকারি বিনিয়োগ বাড়লে বেসরকারি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হয় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়।

MCQ: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে মূলধনী ব্যয় (Capex) কত ধরা হয়েছে? ক) ১০.২ লক্ষ কোটি টাকা খ) ১১.২ লক্ষ কোটি টাকা গ) ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা ঘ) ১৩.২ লক্ষ কোটি টাকা


২. রাজস্ব ঘাটতি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা (Fiscal Deficit)

সরকার ২০২৭ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ৪.৩% নির্ধারণ করেছে, যা আগের বছরের ৪.৪% থেকে কম। বিশ্ববাজারের অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আর্থিক দূরদর্শিতা: ঘাটতি কমানোর অর্থ হলো সরকার তার আয়ের তুলনায় ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ না করে পরিকল্পিত ব্যয় করলে বাজারে টাকার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করে।

বিনিয়োগকারীর আস্থা: নিম্ন রাজস্ব ঘাটতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশের অর্থনীতির প্রতি আস্থাশীল করে তোলে।

MCQ: ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ভারতের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব ঘাটতি (Fiscal Deficit) কত শতাংশ ধরা হয়েছে? ক) ৪.৫% খ) ৪.৩% গ) ৪.১% ঘ) ৩.৯%


৩. নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ (New Income Tax Act, 2025)

মধ্যবিত্ত এবং বেতনভোগী কর্মচারীদের স্বস্তি দিতে সরকার নতুন আয়কর আইন কার্যকর করতে যাচ্ছে। ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে এটি কার্যকর হবে।

সরলীকরণ: করের স্ল্যাব বা ধাপগুলিকে আরও সহজবোধ্য করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারে।

রিবেট বৃদ্ধি: কর ছাড়ের সীমা বাড়ানোর ফলে কম আয়ের মানুষদের হাতে খরচ করার মতো বেশি টাকা (Disposable Income) থাকবে।

সহজ কমপ্লায়েন্স: নতুন ITR ফর্মগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে করদাতারা কোনো জটিলতা ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারেন।

MCQ: নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ কোন তারিখ থেকে কার্যকর হতে চলেছে? ক) ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ খ) ১লা মার্চ, ২০২৬ গ) ১লা এপ্রিল, ২০২৬ ঘ) ১লা মে, ২০২৬


৪. গ্রিন মোবিলিটি এবং রেল করিডোর (Sustainable Rail Corridors)

পরিবেশবান্ধব যাতায়াত বা 'গ্রিন মোবিলিটি'র ওপর গুরুত্ব দিয়ে সাতটি নতুন টেকসই প্যাসেঞ্জার রেল করিডোর ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধান রুট: এর মধ্যে মুম্বাই-পুনে, পুনে-হায়দ্রাবাদ এবং হায়দ্রাবাদ-বেঙ্গালুরু করিডোর উল্লেখযোগ্য।

পরিবেশ রক্ষা: বৈদ্যুতিক এবং দ্রুতগামী ট্রেন ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

কানেক্টিভিটি: এই করিডোরগুলো প্রধান শিল্প ও প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনবে।

MCQ: বাজেটে ঘোষিত সাতটি টেকসই রেল করিডোরের মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত? ক) কলকাতা-ঢাকা খ) দিল্লি-জয়পুর গ) মুম্বাই-পুনে ঘ) চেন্নাই-মাদুরাই


৫. গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও VB-G RAM G প্রকল্প

গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার VB-G RAM G (যা MGNREGA-র পরিবর্তিত বা পরিবর্ধিত রূপ) প্রকল্পে ৯৫,৬৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এটি আগের তুলনায় ৪২.৮% বেশি।

দ্বিমুখী নীতি: একদিকে নতুন প্রকল্প VB-G RAM G এর জন্য বিশাল বরাদ্দ, অন্যদিকে বর্তমান MGNREGA-র ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আরও ৩০,০০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

লক্ষ্য: গ্রামীণ এলাকায় কাজের সুযোগ বাড়ানো এবং পরিকাঠামো নির্মাণ।

আবাসন যোজনা: এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ৬৯% বাড়ানো হয়েছে যাতে ২০২৯ সালের মধ্যে সবার জন্য ঘর নিশ্চিত করা যায়।

MCQ: VB-G RAM G প্রকল্পের জন্য বাজেটে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে? ক) ৮৫,৬৯২ কোটি টাকা খ) ৯০,০০০ কোটি টাকা গ) ৯৫,৬৯২ কোটি টাকা ঘ) ১,২৫,০০০ কোটি টাকা


৬. রাসায়নিক পার্ক এবং বিরল খনিজ করিডোর (Chemical Parks & Rare Earth Corridors)

ভারতকে আত্মনির্ভর করতে এবং শিল্প উৎপাদন বাড়াতে সরকার একটি ক্লাস্টার মডেলের প্রস্তাব করেছে।

রাসায়নিক পার্ক: প্রতিটি রাজ্যে অন্তত তিনটি করে কেমিক্যাল পার্ক তৈরি করা হবে, যা স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

বিরল খনিজ করিডোর: ওড়িশা, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং গুজরাটে 'রেয়ার আর্থ করিডোর' তৈরি করা হবে। এই খনিজগুলো মোবাইল ফোন, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

লক্ষ্য: আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

MCQ: বিরল খনিজ (Rare Earth) করিডোর তৈরির জন্য কোন রাজ্যটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে? ক) পাঞ্জাব খ) উত্তরপ্রদেশ গ) ওড়িশা ঘ) বিহার


৭. আবাসন যোজনায় বিশেষ বরাদ্দ (PMAY-Rural)

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) প্রকল্পের জন্য ২০২৬-২৭ বাজেটে ৫৪,৯১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৯% বেশি।

সবার জন্য ঘর: ২০২৯ সালের মধ্যে গ্রামীণ ভারতের প্রতিটি গৃহহীন পরিবারের কাছে পাকা বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক প্রভাব: বাড়ি তৈরির ফলে সিমেন্ট, স্টিল এবং নির্মাণ শ্রমিকদের চাহিদা বাড়ে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।

MCQ: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পে ২০২৯ সালের মধ্যে কী অর্জনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে? ক) ১০০% স্যানিটেশন খ) আবাসন স্যাচুরেশন (সবার জন্য ঘর) গ) বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ঘ) ডিজিটাল সাক্ষরতা


৮. ডিজিটাল কানেক্টিভিটি এবং উদ্ভাবন (Bharatnet & RDI)

ডিজিটাল ইন্ডিয়া মিশনকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ভারতনেট (Bharatnet) এবং RDI (Research, Development & Innovation) স্কিমের জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা করে মোট ৪০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

ডিজিটাল বিভাজন দূর করা: গ্রামীণ এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শহরের সঙ্গে গ্রামের ডিজিটাল দূরত্ব কমানো হবে।

গবেষণায় জোর: নতুন উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপগুলোকে উৎসাহিত করতে গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বড় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

MCQ: ভারতনেট প্রকল্পের জন্য বাজেটে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে? ক) ১০,০০০ কোটি টাকা খ) ১৫,০০০ কোটি টাকা গ) ২০,০০০ কোটি টাকা ঘ) ২৫,০০০ কোটি টাকা


৯. পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য রাজ্যের জন্য বিশেষ অবকাঠামো (Special State Focus)

নির্বাচনমুখী রাজ্যগুলোর জন্য বাজেটে বিশেষ প্যাকেজ এবং প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম।

পশ্চিমবঙ্গের জন্য: সড়ক পথ, বন্দর উন্নয়ন এবং নগরায়নের জন্য বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। হলদিয়া ও কলকাতা বন্দরের আধুনিকীকরণ এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যান্য রাজ্য: তামিলনাড়ু, আসাম এবং কেরালাতেও রাজ্য-নির্দিষ্ট বিভিন্ন উন্নয়নমূলক স্কিম অগ্রাধিকার পেয়েছে।

MCQ: বাজেটে কোন রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিশেষ গুরুত্ব ও বড় প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে? ক) হরিয়ানা খ) পশ্চিমবঙ্গ গ) হিমাচল প্রদেশ ঘ) রাজস্থান


১০. MSME খাতের জন্য বিশেষ প্যাকেজ (MSME Package)

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে ১২,০০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

সহজ ঋণ: MSME-গুলোর জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম বাড়ানো হয়েছে যাতে তারা সহজে ব্যাংক ঋণ পায়।

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন: ছোট কারখানাগুলোতে আধুনিক মেশিনারি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রতিযোগিতা: কেবল ভর্তুকি নয়, বরং সামগ্রিক ইকোসিস্টেম বা পরিবেশ উন্নত করার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

MCQ: MSME খাতের উন্নয়নের জন্য বাজেটে কত টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে? ক) ৫,০০০ কোটি টাকা খ) ৮,০০০ কোটি টাকা গ) ১২,০০০ কোটি টাকা ঘ) ১৫,০০০ কোটি টাকা


১১. ডেটা সেন্টার ও সেমিকন্ডাক্টর হাব (Data Centres & Semiconductors)

ভারতকে গ্লোবাল ডিজিটাল হাবে পরিণত করতে সরকার গ্লোবাল ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য 'ট্যাক্স হলিডে' বা কর অবকাশের ঘোষণা দিয়েছে।

বিনিয়োগ আকর্ষণ: সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন এবং AI (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) পরিকাঠামো তৈরির জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা: এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের বড় বড় টেক জায়ান্টরা ভারতে তাদের ডেটা সেন্টার স্থাপন করতে আগ্রহী হবে।

প্রভাব: এর ফলে উচ্চমানের প্রযুক্তিগত কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং ভারত ডেটা স্টোরেজের বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত হবে।

MCQ: গ্লোবাল ডেটা সেন্টার এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রসারের জন্য সরকার কী ঘোষণা করেছে? ক) উচ্চহারে আমদানি শুল্ক খ) ট্যাক্স হলিডে (কর অবকাশ) গ) লাইসেন্স বাতিল ঘ) কাঁচামাল রপ্তানি


১২. কৃষি ও পর্যটন খাতে বরাদ্দ (Agriculture & Tourism)

কৃষি খাতের উন্নতির জন্য সরকার ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, যা মূলত সেচ এবং শস্য বীমার কাজে ব্যবহৃত হবে।

কৃষক ঋণ: কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেচ ও বীমা: প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে শস্য বীমা এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

পর্যটন: ভারতের ঐতিহ্যবাহী এবং ধর্মীয় স্থানগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

MCQ: ২০২৬-২৭ বাজেটে কৃষি খাতের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে? ক) ১.১২ লক্ষ কোটি টাকা খ) ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা গ) ২.০ লক্ষ কোটি টাকা ঘ) ৮০,০০০ কোটি টাকা


১৩. বিভিন্ন মন্ত্রকের বরাদ্দ (Ministry-wise Allocation)

বাজেটে অর্থমন্ত্রক সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও জল শক্তি মন্ত্রকেও বড় অংকের অর্থ দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রক: ১৯.৭২ লক্ষ কোটি টাকা (মূলত কেন্দ্রীয় প্রকল্প এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য)।

শিক্ষা মন্ত্রক: ১.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা, যা জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে খরচ হবে।

জল শক্তি মন্ত্রক: ৯৪,৮০০ কোটি টাকা, যা 'হর ঘর জল' মিশনকে সফল করতে সাহায্য করবে।

MCQ: বাজেটে কোন মন্ত্রককে সর্বোচ্চ ১৯.৭২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে? ক) প্রতিরক্ষা মন্ত্রক খ) অর্থমন্ত্রক গ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ঘ) রেল মন্ত্রক


১৪. দিব্যাঙ্গজন এবং মানসিক স্বাস্থ্য (Divyangjan & Mental Health)

প্রতিবন্ধী বা দিব্যাঙ্গজনদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

স্কিলিং ও R&D: দিব্যাঙ্গদের জন্য সহায়ক সরঞ্জাম তৈরিতে AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

পিএম দিব্যাশা কেন্দ্র: এই কেন্দ্রগুলোকে আধুনিকীকরণ করা হবে যাতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা সব সুযোগ-সুবিধা পায়।

মানসিক স্বাস্থ্য: NIMHANS-2 এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

MCQ: দিব্যাঙ্গজনদের সহায়তা এবং আধুনিকীকরণের জন্য কোন কেন্দ্রগুলোর কথা বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে? ক) পিএম স্বাস্থ্য কেন্দ্র খ) পিএম দিব্যাশা কেন্দ্র গ) পিএম উন্নয়ন কেন্দ্র ঘ) পিএম সুরক্ষা কেন্দ্র


১৫. কর ও রেমিট্যান্স সংক্রান্ত পরিবর্তন (TCS & TDS Changes)

বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা এবং ভ্রমণ সহজ করতে TCS (Tax Collected at Source) কমানো হয়েছে।

TCS হ্রাস: বিদেশে শিক্ষা ও চিকিৎসার রেমিট্যান্স এবং ট্যুর প্যাকেজের ওপর TCS কমিয়ে ২% করা হয়েছে।

TDS সুবিধা: জনশক্তি পরিষেবা বা ম্যানপাওয়ার সার্ভিসের ওপর TDS কমিয়ে ১-২% করা হয়েছে।

সুবিধা: এর ফলে যারা বিদেশে টাকা পাঠান বা যারা ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট করেন, তাদের নগদ অর্থের জোগান বৃদ্ধি পাবে।

MCQ: বিদেশে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রেমিট্যান্সের ওপর TCS কমিয়ে কত শতাংশ করা হয়েছে? ক) ৫% খ) ১০% গ) ২% ঘ) ০.৫%


১৬. শুল্ক ছাড় এবং লজিস্টিক সহায়তা (Customs & Logistics)

বিদেশি কোম্পানিগুলো যাতে ভারতে এসে সহজে ব্যবসা করতে পারে, তার জন্য শুল্ক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মূলধনী পণ্যে ছাড়: যে সমস্ত অনিবাসী সংস্থা (Non-residents) ভারতের বন্ডেড টোল ম্যানুফ্যাকচারারদের মূলধনী যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল গুডস সরবরাহ করবে, তাদের শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সেফ হারবার সুবিধা: ওয়্যারহাউসিং বা পণ্য মজুতকরণের জন্য 'সেফ হারবার' নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেফারড ডিউটি: বিশ্বস্ত এবং স্বীকৃত সংস্থাগুলোর জন্য শুল্ক প্রদানের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার (Deferred duty) সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের হাতে নগদ অর্থের জোগান বজায় থাকে।

MCQ: বাজেটে কাদের জন্য মূলধনী পণ্য সরবরাহে শুল্ক ছাড়ের (Exemption) কথা বলা হয়েছে? ক) কেবল সরকারি সংস্থা খ) অনিবাসী সরবরাহকারী (Non-residents) গ) স্থানীয় খুচরা বিক্রেতা ঘ) কৃষি সমবায় সমিতি


১৭. কাঠামোগত সংস্কার ও ইজ অফ ডুইং বিজনেস (Structural Reforms)

ব্যবসা বাণিজ্য সহজতর করতে সরকার বেশ কিছু কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছে।

GST সরলীকরণ: জিএসটি (GST) ব্যবস্থাকে আরও সহজ এবং ব্যবসায়ী-বান্ধব করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

লেবার কোড: নতুন লেবার কোড বা শ্রম বিধিগুলো কার্যকর করার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

QCO যৌক্তিকীকরণ: গুণমান নিয়ন্ত্রণ আদেশ (Quality Control Orders) সহজ করা হয়েছে যাতে ছোট শিল্পগুলো খুব সহজেই নিয়ম মেনে কাজ করতে পারে।

MCQ: ব্যবসা বাণিজ্য সহজ করতে (Ease of Doing Business) কোন গুরুত্বপূর্ণ বিধিটি কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে? ক) আয়কর বিধি খ) লেবার কোড (Labour Codes) গ) ট্রাফিক বিধি ঘ) আবাসন বিধি


১৮. মোট বাজেট বরাদ্দ ও ম্যানুফ্যাকচারিং (Total Outlay)

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা। এটি ভারতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের একটি ব্লুপ্রিন্ট।

ফোকাস এরিয়া: এই বিশাল বরাদ্দের মূল লক্ষ্য হলো ম্যানুফ্যাকচারিং (উৎপাদন), MSME (ক্ষুদ্র শিল্প) এবং পরিকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো।

বিশ্ব অর্থনীতি: বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারত তার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।

MCQ: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ভারতের মোট বাজেট বরাদ্দ (Total Outlay) কত নির্ধারণ করা হয়েছে? ক) ৪৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা খ) ৫০.০ লক্ষ কোটি টাকা গ) ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা ঘ) ৬০.৫ লক্ষ কোটি টাকা


১৯. ক্রীড়া, স্বাস্থ্য এবং সংস্কৃতি (Sports, Health & Culture)

কেবল পরিকাঠামো নয়, বরং মানবিক উন্নয়নের দিকেও বাজেটে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ক্রীড়া মিশন: ভারতের স্পোর্টস ইকোসিস্টেম বা ক্রীড়া পরিবেশকে উন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদী মিশন হাতে নেওয়া হয়েছে।

জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা: সারা দেশে নতুন ইমার্জেন্সি ট্রমা সেন্টার (Emergency Trauma Centres) স্থাপন করা হবে।

সংস্কৃতি: দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক স্থানগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে যাতে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।

MCQ: জরুরি চিকিৎসা সেবার উন্নতির জন্য বাজেটে নতুন করে কী স্থাপনের কথা বলা হয়েছে? ক) নতুন স্কুল খ) ইমার্জেন্সি ট্রমা সেন্টার গ) কৃষি কলেজ ঘ) খেলার মাঠ


২০. বিকশিত ভারতের রূপরেখা (Vision for Viksit Bharat)

সামগ্রিক কর সংস্কার, পাবলিক ক্যাপেক্স (Capex) কৌশল এবং রাজস্ব ঘাটতি কমানোর মাধ্যমে 'বিকশিত ভারত' গড়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আর্থিক স্থিতিশীলতা: কর ব্যবস্থার আমূল সংস্কার এবং আর্থিক দূরদর্শিতা ভারতের অর্থনীতিকে বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।

আকাঙ্ক্ষা পূরণ: ভারতের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এই বাজেট উৎপাদনশীলতা এবং আর্থিক স্থিতিস্থাপকতার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে।

MCQ: বাজেট ২০২৬-২৭-এর মূল লক্ষ্য বা ভিশন কোনটি? ক) ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রা খ) ডিজিটাল ইন্ডিয়া গ) বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) ঘ) গ্রিন ইন্ডিয়া

📢 এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর আগে পেতে

👉 আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন ⚠️ সম্পূর্ণ খবর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়

📢 গুরুত্বপূর্ণ খবর মিস করবেন না!

এই ধরনের খবরের আপডেট আগে জানতে আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত থাকুন

👉 Telegram-এ যুক্ত হোন
⚠️ সম্পূর্ণ খবর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে

লোড হচ্ছে...