অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, অনন্যা চট্টোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী নামে দুটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক পোস্ট করা হচ্ছিল। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায় যখন তাঁর পুত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর মতো ব্যক্তিগত ও বেদনাদায়ক বিষয়কেও কটাক্ষের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে বিষয়টি আইনি পরামর্শের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন রিঙ্কু। একাধিকবার আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি সাইবার থানার দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী, দুই পাতার একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয় বিধাননগর সাইবার থানায়।

রিঙ্কু মজুমদার ঘোষ মনে করছেন, এই অনলাইন আক্রমণের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে এবং দিলীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিবাহই তাঁকে টার্গেট করার প্রধান কারণ। তবে এর সঙ্গে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
তাঁর দাবি, যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে ধারাবাহিকভাবে কুৎসা ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলি ভুয়ো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। পরিচয় গোপন রেখে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই নাম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেই তাঁর ধারণা। গোটা ঘটনার তদন্তে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং সাইবার হেনস্থার মতো বিষয়গুলি ফের নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। আইনগতভাবে এই ধরনের অভিযোগ কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, সেদিকেও নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।