ধর্মের ঊর্ধ্বে ভাষার আবেগেই একজোট হয়েছিল বাঙালি।ধর্ম যদি সব হতো তাহলে ১৯৪৭ এ পাকিস্তান তৈরীর পর একটা বাংলাদেশের দরকার হতো না। ভাষা নিয়ে রক্তক্ষয়ী আন্দোলন হতো না,ভাষা আন্দোলন প্রাণ হারানো সেলিম,জব্বার ,বরকত দের স্মরণ করে মাতৃভাষা তথা বাংলাভাষার জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নামে একটা দিন ক্যালেন্ডারে ধার্য হতো না! সেই বাংলাদেশে বদল এসেছে গত দেড় বছর। হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। মসনদে ইউনূস সরকার এসেছে।
ঘটনাবহুল এই দেড় বছরের আরো একটা বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ভাষা দিবসের ছুটি বাতিল। ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা থেকে বাদ পড়েছে মে দিবসও।

একটা ছুটি বাতিল করে কি ভাষা দিবসের আবেগ মোছা যাবে? মৌলবাদী কোপ থেকে রেহাই পায় না অমর একুশ? এ কোন নতুন বাংলাদেশ!
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই একুশের শহীদ মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়েই শুরু হয়েছিল হাসিনা বিরোধী জুলাই আন্দোলন। আর তথাকথিত স্বাধীনতার শেষে জুলাই বিপ্লবের আঁতুড় ঘরকেই অস্বীকার করলেন ইউনুস।