📢 Telegram-এ যুক্ত হন

পদাতিক বাংলা

বাংলা ভাষার প্রিয় কন্টেন্টের ঠিকানা

রবীন্দ্রনাথ সান্যায় আর বঙ্কিম দা উচ্চারণের পিছনে তীক্ষ্ণ কূটনৈতিক পরিকল্পনা কী ছিল ?

রবীন্দ্রনাথ সান্যায় আর বঙ্কিম দা উচ্চারণের পিছনে তীক্ষ্ণ কূটনৈতিক পরিকল্পনা কী ছিল ?
রাজনীতির ময়দানে আমরা সামনে থেকে যা দেখি তা হয়ত হীমশৈলের চূড়া যা মূল হীমশৈলের দশ ভাগের এক ভাগ মাত্র। আর বাকি নয় ভাগ ডুবে থাকে কূটনীতির সমুদ্রের ভিতর।

মাত্র দুই মাস আগে এই বাংলায় "বন্দেমাতরম" এবং "জনগণ মন" এই দুটি গান নিয়ে কার্যত যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় বাংলার দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে। আমাদের বাঙালিদের সবচেয়ে বড় গর্ব এই দুটি গানের জনকই বাঙালি।

হঠাৎ ঠিক দুই মাস পরেই বেছে বেছে সেই দুই মণীষীর নামের উচ্চারণ নিয়েই বিতর্ক। কীভাবে এটা সম্ভব ?



তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে বহিরাগত বলে আক্রমণ শুরু করেছে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি অনুযায়ী যেহেতু বিজেপি বহিরাগত দল তাই তাঁদের এই ভুল তাঁদের অজ্ঞতা। কিন্ত যে ধারণার কথা কেউ তুলে ধরছে না সেই অদ্ভুত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন কিছু বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক বিশ্লেষক।



তাঁদের দাবি এই ভুল কখনওই অনিচ্ছাকৃত নয়। এর পিছনে রয়েছে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের কঠিন কূটনৈতিক চাল । নরেন্দ্র মোদী সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম বঙ্কিম দা বলার মূল কারণ প্রধানমন্ত্রী দেখাতে চেয়েছেন সাহিত্য সম্রাট আসলে বিজেপি দলের খুব কাছের মানুষ। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের ভুল উচ্চারণের মধ্য দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ত বোঝাতে চেয়েছেন কবিগুরু তাঁদের দূরের মানুষ । এইভাবেই আরও একবার "বন্দেমাতরম" বনাম "জনগণ মন" এর সাংস্কৃতিক যুদ্ধ বাঙালির অবচেতন মনে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে আরও একবার।

যদিও বিজেপি-বিরোধী মূল রাজনৈতিক দলগুলি এই তত্ত্বের সাথে একমত হতে পারেনি।

📢 এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর আগে পেতে

👉 আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন ⚠️ সম্পূর্ণ খবর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়

📢 গুরুত্বপূর্ণ খবর মিস করবেন না!

এই ধরনের খবরের আপডেট আগে জানতে আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত থাকুন

👉 Telegram-এ যুক্ত হোন
⚠️ সম্পূর্ণ খবর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে

লোড হচ্ছে...