
ত্রিপুরার উনাকোটি জেলার বাসিন্দা ২৪ বছর বয়সী অ্যাঞ্জেল চাকমা নামের এমবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী তার ভাই মাইকেলের সঙ্গে উত্তরাখন্ডের সেলাকুই বাজারে বেড়াতে যায়, সেখানে এক দল ছেলে তাদের গালিগালাজ এবং ‘চাইনিজ’ বা চীনা নাগরিক আখ্যা দেয়। যা উত্তর পূর্ব ভারতীয় দের কাছে গালির সমান। এক পর্যায়ে অ্যাঞ্জেল চাকমাকে ছুরিকাঘাত করে তারা। এতে গুরুতর আহত হন অ্যাঞ্জেল এবং গত ২৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কদিন আগেই বাংলাদেশ হত্যা কান্ড বিশ্ব নাড়িয়েছে। কলম দিয়েও প্র তিবাদ আসে।
বাংলাদেশ জ্বলছে। প্রথম আলো দপ্তর ছাই,সংবাদমাধ্যম ক্ষতবিক্ষত। সংখ্যালঘু অত্যাচার দাঁত নখ বের করা মৌলবাদ এর বিরুদ্ধে গর্জন দেখেছি, এরাজ্যে প্যাটিশ বিক্রেতা উপর আক্রমণ হলেও দলের বাইরে গিয়ে বিজেপির সাংসদ অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় কে, প্যাটিশ বিক্রেতার পাশে দাঁড়াতে দেখেছি,প্যাটিশ বিক্রেতা আসলে " মেহনতি মানুষ খেটে খাওয়া মানুষ - এই সব শব্দ ব্যবহার করে বুঝিয়েছেন, রুজি রুটির কাছে ধর্ম জাতি বিদ্বেষী যেকোন মৌলবাদ আসলেই আফিম। "
"আমরা কিন্তু বাংলাদেশের মতন নই , ইত্যাদি, প্রভৃতি" :, বলে একদল দায় ঝাড়লেও অ্যাঞ্জেল মৃত্যু বোঝায় মৌলবাদ আসলে জাত ধর্ম বর্ণ এবং ভৌগোলিক সীমার উর্ধ্বে। কলমেরও শক্তি আছে, তাই মিডিয়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ আছড়ে পড়ে, ছাইয়ের মধ্যেও জীবন আছে। থাকতে বাধ্য। এই আশাতেই সুস্থ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে আগামী প্রজন্ম।